স্বপ্ন

অনেকদিন থেকেই আমার একটা পাহাড় কেনার শখ।
কিন্তু পাহাড় কে বিক্রি করে তা জানি না।
যদি তার দেখা পেতাম, দামের জন্য আটকাতো না।

আমার নিজস্ব একটা নদী আছে, সেটা দিয়ে দিতাম পাহাড়টার বদলে।
কে না জানে, পাহাড়ের চেয়ে নদীর দামই বেশী। পাহাড় স্থাণু, নদী বহমান।
তবু আমি নদীর বদলে পাহাড়টাই কিনতাম। কারণ, আমি ঠকতে চাই।

নদীটাও অবশ্য কিনেছিলাম একটা স্বপ্নের বদলে।
ছেলেবেলায় আমার বেশ ছোটোখাটো, ছিমছাম।
একটা দ্বীপ ছিল। সেখানে অসংখ্য প্ৰজাপতি।
শৈশবে দ্বীপটি ছিল বড় প্ৰিয়।

আমার যৌবনে দ্বীপটি আমার আমার কাছে মাপে ছোট লাগলো।
প্রবহমান ছিপছিপে তখী নদীটি বেশ পছন্দ হলো আমার।
বন্ধুরা বললো, ঐটুকু একটা দ্বীপের বিনিময়ে এতবড় একটা নদী পেয়েছিস?
খুব জিতেছিস তো মাইরি!
তখন জয়ের আনন্দে আমি বিহ্বল হতাম।
তখন সত্যিই আমি ভালোবাসতন্ম নদীটিকে।

নদী আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিত। যেমন, বলে তো, আজ সন্ধেবেলা বৃষ্টি হবে ?

সে বলতো, আজ এখানে দক্ষিণ গরম হাওয়া। শুধু একটি ছোট্ট দ্বীপে বৃষ্টি, সে কী প্রবল বৃষ্টি, যেন একটা উৎসব!

আমি সেই দ্বীপে আর যেতে পারি না, সে জানতো! সবাই জানে। শৈশবে আর ফেরা যায় না।

এখন আমি একটা পাহাড় কিনতে চাই।
সেই পাহাড়ের পায়ের কাছে থাকবে গহন অরণ্য, আমি সেই অরণ্য পার হয়ে যাবো, তারপর শুধু রুক্ষ কঠিন পাহাড়।
একেবারে চূড়ায়, মাথার খুব কাছে আকাশ, নিচে বিপুল পৃথিবী, চরাচরে তীব্র নির্জনতা। আমার কণ্ঠস্বর সেখানে কেউ শুনতে পাবে না। আমি ঈশ্বর মানি না, তিনি আমার মাথার কাছে ঝুঁকে দাঁড়াবেন না। আমি শুধু দশ দিককে উদ্দেশ্য করে বলবো,
প্রত্যেক মানুষই অহঙ্কারী, এখানে আমি একা—এখানে আমার কোনো অহঙ্কার নেই। এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে। হে দশ দিক, আমি কোনো দোষ করিনি। আমাকে ক্ষমা করো।

......... সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়.......

*ছবিটি সান্দাকফু রুটের কোনো এক অনামী অপূর্ব স্থানে তোলা, সম্ভবত যতদূর মনে পড়ছে —-সান্দাকফু থেকে চান্দু হেলিপ্যাড দ্বারা যাওয়ার পথে, গোধূলির সময় এবং সম্পূর্ণ ন্যাচারাল কালার. কোনো কালার এডিটিং করা হয়নি.

Massanjore, Dumka, Jharkhand, India

Oh no .. no .. not too high, Something called like the hill.

Massajore, canada Dam in dumka district of jharkhand by train suri from kolkata. It takes about an hour to get to Suri. The reservoir is surrounded by many small hills. The Mayurakshi River originates from this reservoir. Full of incredible natural beauty. Sunset view in the afternoon. Which is kind of difficult to express in a language. It is difficult to believe if you do not see with your own eyes.

From above you can enjoy the beauty of the whole dam/ reservoir. Surrounding the reservoir are small hill that look like elephants. The jungle and the trees are beautiful views over the hill. In the spring, nature makes Matoyara, the whole mountain is set on fire by Palash with its bloody avocado.

https://m.facebook.com/groups/305164690324705/?ref=group_header&view=group
It is best to book online in advance to stay. There are small hotels of average quality. The west bengal youth hostel in Masanjore is very popular …. https://youthhostelbooking.wb.gov.in/pages/SearchAvailability.aspx

My Doladanga Days

কলকাতা থেকে গাড়িতে বা বাসে-ট্রেনে বাঁকুড়া. বাঁকুড়া থেকে খাতড়াগামী যেকোনো বাসে নামতে হবে হাতিরামপুর. হাতিরামপুর থেকে যেতে হবে মানবাজার. মানবাজার বাস স্ট্যান্ড থেকে ই-রিক্সা বা গাড়িতে করে দোলাডাঙ্গা (Doladanga Backpackers’ Camp) গ্রাম. কংসাবতী আর কুমারী নদীর মিলনস্থলে বিরাট জলাধার (লেক). শান্ত, সিন্গ্ধ, জঙ্গল আর পাহাড়ে ঘেরা বিশাল লেকের পাশেই প্রতন্ত আদিবাসী গ্রাম এই দোলাডাঙ্গা (Doladanga Backpackers’ Camp)
ওয়েলকাম ড্রিঙ্কস (Welcome drinks)খেয়ে একটু ক্যাম্পসাইট (Backpackers’ Camp site) ভিসিট করে লেকের ধারে হ্যামকে দুলুনি. ক্যাম্প (Lake camping) থেকে বাইরের দিকে তাকালেই মন ভরে যাওয়ার মতো প্রাকৃতিক সৌন্দৰ্য. আকাশের রঙে মিলেমিশে লেকের জলের রঙ. কখনো নীল, কখনো লাল, কখনো ভয়ঙ্কর কালো কুচকুচে. গভীর রহস্য আর সম্মোহনী সৌন্দর্যে মাখামাখি চারিদিক.
পাখির কলতান আর হাওয়ার শব্দ. নিঃশ্চুপ — মৌনমুখর
ক্যাম্পে বিভিন্ন কাজে ও মালপত্তর আনানেওয়ার জন্য রাখা আছে একটা Rolls-Royce
ক্যাম্পের (Backpackers’ Camp) চারিদিকে শুধু জঙ্গল আর লেক. লেকের মধ্যে আবার অনেক দ্বীপ. দূরে দিগন্তে হাতির পিঠের মতো উঁচু-নিচু পাহাড়. খোলা আকাশ আর আকাশের নিচে বিস্তীর্ণ মালভূমি.
বেলা যে পড়ে এলো এবার জল-কে চলো.
সবাই মিলে নেমে পড়লাম স্রান করতে. শান্ত-নির্মল জলে অনেক্ষন কেতবাজি ও সাঁতার কাটতে কাটতে হটাৎ দেখি….. আকাশ কালো করে মেঘ করেছে. মনে হচ্ছিলো এইবার প্রলয় নামবে.
প্রকৃতির এই মোহময়ী ভয়ানক গুরুগম্ভীর রূপ পাগল করে দেওয়ার মতো.
“মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়… আড়ালে তার সূর্য হাসে. “
কিছুক্ষন পরেই আবার আকাশে অন্য ছটা. মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দিলাম, যাইহোক সূর্যাস্ত টা দেখা যাবে তাহলে .. ! 
দে দে পাল তুলে দে মাঝি হেলা করিস না ছেড়ে দে নৌকা আমি যাবো মদিনা….
ক্যাম্পে (Doladanga Backpackers’ Camp)ফিরে কব্জি ডুবিয়ে লাঞ্চ সেরে বেরিয়ে পড়লাম লেকে ঘুরতে. নৌকাতে চেপে মাঝ লেকে গিয়ে সূর্য্যাস্ত দেখতে. সে এক অপূর্ব শোভা. দূরে দিগন্তে পাহাড়ের কোলে সূর্য ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে আর গোধূলির লালচে সোনালী আভা শরতের পেঁজা তুলো মেঘ রাঙয়ে দিচ্ছে. ঠিকযেন সেই ছোট্টবেলার আঁকার খাতাটা.

পাহাড়, গ্রাম, পাখি, সূর্য, জলাশয়, মেঘ, নৌকা, মাঝি, উল্টো দিকের আকাশে হালকা চাঁদ.

দিল তো বাচ্ছা হ্যা জি…
গোধূলি বেলায় লেকের ধারে বসে একটা একটা পাথর ছুঁড়ে মারা আর আকাশকুসুম চিন্তাভাবনা. ফেলে আসা সময়, স্মৃতি, ভালোবাসা আর অলীক স্বপ্ন.
বিকেলে পাখিদের বাসায় ফিরে যাওয়া.
অগুনতি……….
আর মাথার উপরে অসংখ্য ফড়িং, এতো এর আগে ফড়িং একসাথে দেখিনি কোনোদিন. বাপ্পরে বাপ্.
পড়ন্ত বিকেলের সোনারঙ.
সন্ধ্যায় ক্যাম্পে (Backpackers’ Camp) ফিরে চা আর পকোড়া মুড়ি. তারপরে স্থানীয় লোকশিল্পীদের গলায় বাউলসন্ধ্যা. বাউল এর গানে আর ছন্দে মন মাতাল হয়ে যায়.
লেকের আকাশে একটা ডবকা চাঁদ, হাতে মদীরা সাথে বাউল সংগীত. উফফ…. উফফ…

If you love to know more about Doladanga contact Izifiso or click here.

Design a site like this with WordPress.com
Get started