

পাখির কলতান আর হাওয়ার শব্দ. নিঃশ্চুপ — মৌনমুখর




সবাই মিলে নেমে পড়লাম স্রান করতে. শান্ত-নির্মল জলে অনেক্ষন কেতবাজি ও সাঁতার কাটতে কাটতে হটাৎ দেখি….. আকাশ কালো করে মেঘ করেছে. মনে হচ্ছিলো এইবার প্রলয় নামবে.
প্রকৃতির এই মোহময়ী ভয়ানক গুরুগম্ভীর রূপ পাগল করে দেওয়ার মতো.

কিছুক্ষন পরেই আবার আকাশে অন্য ছটা. মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দিলাম, যাইহোক সূর্যাস্ত টা দেখা যাবে তাহলে .. !

ক্যাম্পে (Doladanga Backpackers’ Camp)ফিরে কব্জি ডুবিয়ে লাঞ্চ সেরে বেরিয়ে পড়লাম লেকে ঘুরতে. নৌকাতে চেপে মাঝ লেকে গিয়ে সূর্য্যাস্ত দেখতে. সে এক অপূর্ব শোভা. দূরে দিগন্তে পাহাড়ের কোলে সূর্য ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে আর গোধূলির লালচে সোনালী আভা শরতের পেঁজা তুলো মেঘ রাঙয়ে দিচ্ছে. ঠিকযেন সেই ছোট্টবেলার আঁকার খাতাটা.
পাহাড়, গ্রাম, পাখি, সূর্য, জলাশয়, মেঘ, নৌকা, মাঝি, উল্টো দিকের আকাশে হালকা চাঁদ.
দিল তো বাচ্ছা হ্যা জি…
গোধূলি বেলায় লেকের ধারে বসে একটা একটা পাথর ছুঁড়ে মারা আর আকাশকুসুম চিন্তাভাবনা. ফেলে আসা সময়, স্মৃতি, ভালোবাসা আর অলীক স্বপ্ন.

অগুনতি……….
আর মাথার উপরে অসংখ্য ফড়িং, এতো এর আগে ফড়িং একসাথে দেখিনি কোনোদিন. বাপ্পরে বাপ্.

সন্ধ্যায় ক্যাম্পে (Backpackers’ Camp) ফিরে চা আর পকোড়া মুড়ি. তারপরে স্থানীয় লোকশিল্পীদের গলায় বাউলসন্ধ্যা. বাউল এর গানে আর ছন্দে মন মাতাল হয়ে যায়.
লেকের আকাশে একটা ডবকা চাঁদ, হাতে মদীরা সাথে বাউল সংগীত. উফফ…. উফফ…
If you love to know more about Doladanga contact Izifiso or click here.
